be44 শুধু একটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম নয় – এটি বাংলাদেশের লক্ষাধিক মানুষের বিনোদনের বিশ্বস্ত ঠিকানা। আমরা বিশ্বাস করি স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা এবং দায়িত্বশীলতাই দীর্ঘমেয়াদি বিশ্বাসের ভিত্তি।
be44 কেন তৈরি হয়েছে এবং কীভাবে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি
বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষের কাছে নির াপদ, স্বচ্ছ এবং আনন্দময় অনলাইন বেটিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। be44 চায় প্রতিটি খেলোয়াড় যেন মনে করেন এই প্ল্যাটফর্মটি তাঁর নিজেরই।
২০২৭ সালের মধ্যে be44 দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। আমরা প্রযুক্তি ও মানবিক সেবার মিশেলে এক অনন্য অভিজ্ঞতা তৈরি করছি।
be44 প্রতিটি লেনদেনে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। আমরা দায়িত্বশীল গেমিংকে সংস্কৃতির অংশ মনে করি এবং কখনো মুনাফার জন্য খেলোয়াড়ের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিই না।
আমাদের প্ল্যাটফর্মের ছয়টি মূল বৈশিষ্ট্য
be44 ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন ব্যবহার করে। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ও আর্থিক ডেটা কোনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা হয় না। দুই স্তরের যাচাইকরণ প্রতিটি অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখে।
be44 অ্যাপ Android ও iOS উভয়ে চলে। ধীর ইন্টারনেটেও অ্যাপটি দ্রুত লোড হয়। বিকাশ ও নগদে এক ক্লিকে ডিপোজিট-উইথড্রয়াল করা যায় – কোনো ঝামেলা নেই।
be44-এর পুরো ইন্টারফেস বাংলায়। সাপোর্ট টিম বাংলায় কথা বলে, সাহায্য নিবন্ধও বাংলায় লেখা। বিদেশি প্ল্যাটফর্মের মতো ভাষার দেয়ালে আটকাতে হবে না।
be44-এ জেতার পর উইথড্রয়ালের অনুরোধ করলে সাধারণত ১২ ঘণ্টার মধ্যে টাকা আপনার মোবাইল ব্যাংকিংয়ে চলে আসে। বাংলাদেশের যেকোনো প্ল্যাটফর্মের মধ্যে এটি সবচেয়ে দ্রুত।
নতুন সদস্যরা ওয়েলকাম বোনাস পান। নিয়মিত খেলোয়াড়দের জন্য সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক, রিলোড বোনাস ও লয়্যালটি পয়েন্ট থাকে। be44-এ খেলার প্রতিটি পদক্ষেপেই পুরস্কার আছে।
be44-এ ম্যাচ চলার সময়েও বাজি ধরা যায়। লাইভ স্কোর, ওভার-বাই-ওভার আপডেট এবং পরিবর্তনশীল অডস – সব একসাথে। ক্রিকেট থেকে ফুটবল, সব খেলাতেই লাইভ বেটিং পাবেন।
২০১৯ সালে একদল তরুণ প্রযুক্তিবিদ ও খেলাধুলাপ্রেমী মিলে be44 প্রতিষ্ঠা করেন। সেই সময় বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং বলতে শুধু বিদেশি প্ল্যাটফর্ম ছিল – যেগুলো বাংলা ভাষায় সেবা দিত না, স্থানীয় পেমেন্ট সিস্টেম সমর্থন করত না এবং বাংলাদেশের মানুষের সাংস্কৃতিক বাস্তবতা বুঝত না। be44-এর প্রতিষ্ঠাতারা সেই শূন্যতা পূরণ করতে চেয়েছিলেন।
শুরুতে be44 ছিল ছোট একটি দল এবং সীমিত পরিসরের প্ল্যাটফর্ম। কিন্তু ব্যবহারকারীদের বিশ্বাস ও ভালোবাসায় be44 দ্রুত বেড়ে উঠেছে। আজ be44-এ পাঁচ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন, যাঁরা বাংলাদেশের ৬৪টি জেলা থেকে প্রতিদিন প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করছেন।
be44 একটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত অনলাইন গেমিং অপারেটর হিসেবে কাজ করে। প্ল্যাটফর্মে ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস, ব্যাডমিন্টনসহ বিভিন্ন খেলার লাইভ ও প্রি-ম্যাচ বেটিং পাওয়া যায়। এছাড়াও be44-এ রয়েছে লটারি, স্লট গেম, লাইভ ক্যাসিনো এবং ভার্চুয়াল স্পোর্টস।
be44-এর পুরো সিস্টেম ক্লাউড-ভিত্তিক এবং ৯৯.৯% আপটাইম নিশ্চিত করা হয়। বড় ম্যাচের সময় লক্ষাধিক মানুষ একসাথে be44 ব্যবহার করলেও সিস্টেম স্লো হয় না। এই প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব be44-কে প্রতিযোগীদের থেকে আলাদা করে।
be44 সম্পূর্ণভাবে বিশ্বাস করে যে অনলাইন বেটিং বিনোদনের একটি মাধ্যম মাত্র। আমরা কখনো ব্যবহারকারীকে তাঁর সামর্থ্যের বাইরে বাজি ধরতে উৎসাহিত করি না।
be44-এর সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো এটি বাংলাদেশের মাটিতে গড়ে ওঠা একটি প্ল্যাটফর্ম। আমাদের দলের বেশিরভাগ সদস্য বাংলাদেশি। আমরা বুঝি এখানকার মানুষ কীভাবে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করেন, কোন খেলায় আগ্রহ বেশি, কখন ইন্টারনেট সংযোগ দুর্বল হয়ে যায়।
এই স্থানীয় বোঝাপড়াই be44-কে অনন্য করে তুলেছে। বিকাশ ও নগদে সরাসরি লেনদেন, বাংলায় সম্পূর্ণ কাস্টমার সাপোর্ট এবং বাংলাদেশের জনপ্রিয় খেলাগুলোকে প্রাধান্য দেওয়া – এগুলো কোনো কাকতালীয় নয়, এগুলো সচেতন পরিকল্পনার ফল।
be44 বিশ্বাস করে যে একটি সুস্থ গেমিং সংস্কৃতি তৈরি করা প্ল্যাটফর্মের দায়িত্ব। তাই be44-এ ব্যবহারকারীরা নিজেরাই ডেইলি, উইকলি বা মান্থলি স্পেন্ডিং লিমিট সেট করতে পারেন। প্রয়োজনে স্ব-বর্জনের সুবিধাও আছে। be44-এর সাপোর্ট টিম যদি কোনো ব্যবহারকারীর আচরণে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করে, তাহলে তারা সক্রিয়ভাবে সেই ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করে সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করে।
be44-এর দায়িত্বশীল গেমিং পেজে বিস্তারিত নির্দেশিকা, সেলফ-এক্সক্লুশন ফর্ম এবং মানসিক স্বাস্থ্য সংস্থার যোগাযোগ তথ্য পাওয়া যায়। আমরা চাই প্রতিটি খেলোয়াড় সুস্থ মাথায়, আনন্দের সাথে be44 ব্যবহার করুন।
be44 থেমে নেই। আমরা ২০২৬ সালে be44-এর অ্যাপকে আরও উন্নত করার পরিকল্পনা করছি – নতুন গেম যোগ হবে, পেমেন্ট অপশন বাড়বে এবং লয়্যালটি প্রোগ্রাম আরও আকর্ষণীয় হবে। আমরা কমিউনিটি-ভিত্তিক বেটিং ইভেন্ট চালু করতে চাই যেখানে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করবেন।
be44 সবসময় ব্যবহারকারীদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। আমাদের পণ্য উন্নয়নের বড় অংশ আসে সরাসরি সদস্যদের পরামর্শ থেকে। আপনার মতামত be44-কে আরও ভালো করে তুলতে সাহায্য করে।
প্রতিষ্ঠা থেকে আজ পর্যন্ত মাইলফলকগুলো
একটি ছোট টিম নিয়ে be44 তার প্রথম বেটা ভার্সন লঞ্চ করে। প্রথম মাসেই ১০,০০০ ব্যবহারকারী নিবন্ধন করেন। বিকাশ ইন্টিগ্রেশন be44-কে তাৎক্ষণিক জনপ্রিয়তা দেয়।
be44 Android অ্যাপ চালু করে এবং ব্যবহারকারী সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে যায়। লাইভ বেটিং ফিচার যোগ হওয়ায় আইপিএল সিজনে ব্যবহার তিনগুণ বেড়ে যায়।
be44 তার প্ল্যাটফর্মে লটারি ও লাইভ ক্যাসিনো যোগ করে। নগদ ও রকেট ইন্টিগ্রেশনে পেমেন্ট আরও সহজ হয়। ব্যবহারকারী সংখ্যা ১.৫ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
be44 দায়িত্বশীল গেমিং ফ্রেমওয়ার্ক চালু করে। স্পেন্ডিং লিমিট ও স্ব-বর্জন সুবিধা যোগ হয়। কাস্টমার সাপোর্ট টিম ২৪/৭ বাংলায় সেবা শুরু করে।
be44 iOS অ্যাপ লঞ্চ করে এবং ভার্চুয়াল স্পোর্টস বিভাগ যোগ হয়। ৩ লাখ সক্রিয় ব্যবহারকারী অতিক্রম করে be44। বাংলাদেশ গেমিং অ্যাওয়ার্ডে সেরা নতুন প্ল্যাটফর্ম পুরস্কার পায়।
be44 পাঁচ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য নিয়ে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। নতুন ফিচার ও উন্নতির কাজ চলমান।
যে নীতিগুলো be44-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তকে পরিচালিত করে
be44-এ কোনো লুকানো চার্জ নেই। অডস, নিয়ম ও পেমেন্ট শর্ত সবসময় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা থাকে। ব্যবহারকারী যা দেখেন, তাই পান।
প্রতিটি ফিচার, প্রতিটি আপডেট ব্যবহারকারীর সুবিধার কথা মাথায় রেখে তৈরি। be44-এ ব্যবহারকারীর মতামতই পথ দেখায়।
be44 সবসময় সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে। দ্রুত লোডিং, নিরবচ্ছিন্ন সেবা এবং ডেটা সুরক্ষা – এগুলো be44-এর প্রযুক্তিগত অঙ্গীকার।
be44 বিশ্বাস করে বিনোদন আনন্দের হওয়া উচিত, চাপের নয়। আমরা সক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীদের সুস্থ গেমিং অভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়তা করি।
be44 শুধু ব্যবসা নয়, একটি সম্প্রদায়। আমরা স্থানীয় ক্রীড়া উদ্যোগ সমর্থন করি এবং বাংলাদেশের খেলাধুলার সংস্কৃতির বিকাশে অবদান রাখতে চাই।
be44-এর সমস্ত গেম ও বেটিং মার্কেট তৃতীয় পক্ষের অডিটর দ্বারা যাচাইকৃত। কোনো ম্যানিপুলেশন বা পক্ষপাতিত্বের কোনো সুযোগ নেই।
আমাদের অভিজ্ঞ ও নিবেদিতপ্রাণ দল
১২ বছরের ফিনটেক ও গেমিং অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাহাত be44-এর দূরদর্শী নেতৃত্ব দিচ্ছেন শুরু থেকেই।
BUET-এর সাবেক শিক্ষার্থী সাবরিনা be44-এর পুরো টেক ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডিজাইন ও পরিচালনা করেন।
ইমরানের নেতৃত্বে ১০০ জনেরও বেশি সাপোর্ট এজেন্ট ২৪/৭ বাংলায় ব্যবহারকারীদের সেবা দিচ্ছেন।
নাফিসা be44-এর প্রতিটি নতুন ফিচারের পেছনে থাকেন। ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন।